--ভাইয়া কি করছেন এখানে বসে?
--গাজা বানাচ্ছি, খাবেন?
--ফাযলামু করেন?
--কেন?
--দেখাই যাচ্ছে কি জানি আঁকছেন।
--ওহ অবাক হলাম, আপনি দেখতেও পারেন!
--মানে??
--দেখাই যখন
যাচ্ছে তাহলে জিজ্ঞাসা করলেন কেন??
মেয়েটা কিছুটা হকচকিয়ে গেল। কিন্তু
পরক্ষনেই নিজেকে সামলে নেবার আপ্রাণ
চেষ্টা করতে থাকল,
--আপনি খুব মজার,বাপ্পি ভাইয়া
--ওহ, খুব সুন্দর কিছু জোকস
শুনিয়েছি আপনাকে তাই না?
--আজিব! আমি কি একবারও সেটা বলেছি?
--আমিও তো বুঝতে পারছি না আপনি
আমায়
মজার কেন বলছেন?
--মনে হল তাই।
--ও,
--হুম
--কতদিন হল?
--কি?
--আমার প্রেমে পরেছেন?
--আমি কখন প্রেমে পড়লাম!? (রাগ নয়,
অবাক চোখে)
--না, মনে হল আর কি
রুবা রাগ দেখিয়ে প্রস্থান
করল,,বেশিক্ষণ থাকলে সমস্যা,, এই
একটা ছেলের
প্রতিটি কাজকর্মে মেয়েটা একের পর এক
ধাক্কা খাচ্ছে, আর মেয়েদের একটা রোগ
আছে,, যার কাছে সে ধাক্কা খায়,, তার
উপরই ক্রাশ খায়। তাই স্বভাব সূত্রেই
প্রেমে পড়ে যায় মেয়েটি,,
কিছুদিন পর,
বাপ্পি ডাক দেয় রুবাকে,
--বেশ কিছুদিন ধরে খেয়াল
করছি আপনি আমাকে সারাক্ষণ ফলো
করেন
অথচ আমার কাছে এসে কখনই কথা বলেন
না
--আপনার কাছে গেলে কথা বলা ভুলে যাই
আমি,, আপনি আমায় একের পর এক অপমান
করেন আর আমি তার কোন জবাব
দিতে পারি না
--হা হা হা
--দেখেন আমার কথায় হাসবেন না
--আচ্ছা হাসলাম না,, হি হি হি
--আবার!
--চলেন
--কোথায়?
--আমার সঙ্গে,,রিক্সায় ঘুরবেন,
--কি বলেন!
--হুম, আমি গেলাম, আপনি আসলে আসেন
--একটা ক্লাস বাকি যে
--ওটা বাকিই থাক
--আচ্ছা চলেন
রিক্সা একটি রেস্টুরেন্ট এর
কাছে এসে থামল,,
--এই খানে থামালেন কেন?
--রেস্টুরেন্ট টা দেখছেন?
--হুম, আমার ও খুব ক্ষুধা পেয়েছে, চলেন,
মন্দ হয় না
--আমরা রেস্টুরেন্ট এর পাশের অই চায়ের
দোকানটায় বসে চা খাব
--কি বলেন! আমি পারব না
--ওকে, তাইলে বাই
--আজিব ছেলেতো আপনি! চলেন
--হুম
.
.
--চা টা অসাধারণ হয়েছে,,বাপ্পি
--আমি জানি, কিন্তু
আমি এখানে চা খেতে আসিনি
--তাহলে?
--দাড়ান,,
কয়েকটা পথের শিশুকে ধরে নিয়ে এল
বাপ্পি
রুবা অবাক চোখে তাকিয়ে আছে।
ছেলেটার সঙ্গে যতই মিশছে ততই অবাক
হচ্ছে
--এদের ডাকলেন কেন?
--দেখতেই পাবেন
এরপর বাপ্পি ওই ছেলেগুলোর কানে কিছু
শিখিয়ে দিল,
ছেলে গুলো হাসতে থাকে,,রুবা অবাক
চোখে বাপ্পির পাগলামি দেখে।
হঠাত একটি ছেলে এসে বলল,
"রুবা আপু"
রুবা বলল, জি, বল,
ছেলেটা আর কিছু না বলে দৌড় দিল।
রুবা আরো অবাক,
হঠাত পরের ছেলে এসে "আমি " বলে দৌড়
দিল
এরপর তৃতীয়
ছেলে এসে "তোমাকে "বলে দৌড় দিল
তারপর চতুর্থতম ছেলে এসে "ভালবাসি "
বলল
.
রুবা বোকা হয়ে বসে রইল, বাপ্পি দুর
থেকে তাকিয়ে হাসতে থাকে,
.বাপ্পি বললো
আচ্ছা, মেয়েরা চমকে গেলে এত কিউট
দেখায় কেন??
.রুবা বাপ্পির কথা শুনে লজ্জা পেয়ে
মাথা নিচু করে ফেলে বাপ্পি রুবার কাছে
যেয়ে রুবারটা হাত ধরে..
আর এইভাবে শুরু হয় ওদের পবিত্র
ভালোবাসা
....
--গাজা বানাচ্ছি, খাবেন?
--ফাযলামু করেন?
--কেন?
--দেখাই যাচ্ছে কি জানি আঁকছেন।
--ওহ অবাক হলাম, আপনি দেখতেও পারেন!
--মানে??
--দেখাই যখন
যাচ্ছে তাহলে জিজ্ঞাসা করলেন কেন??
মেয়েটা কিছুটা হকচকিয়ে গেল। কিন্তু
পরক্ষনেই নিজেকে সামলে নেবার আপ্রাণ
চেষ্টা করতে থাকল,
--আপনি খুব মজার,বাপ্পি ভাইয়া
--ওহ, খুব সুন্দর কিছু জোকস
শুনিয়েছি আপনাকে তাই না?
--আজিব! আমি কি একবারও সেটা বলেছি?
--আমিও তো বুঝতে পারছি না আপনি
আমায়
মজার কেন বলছেন?
--মনে হল তাই।
--ও,
--হুম
--কতদিন হল?
--কি?
--আমার প্রেমে পরেছেন?
--আমি কখন প্রেমে পড়লাম!? (রাগ নয়,
অবাক চোখে)
--না, মনে হল আর কি
রুবা রাগ দেখিয়ে প্রস্থান
করল,,বেশিক্ষণ থাকলে সমস্যা,, এই
একটা ছেলের
প্রতিটি কাজকর্মে মেয়েটা একের পর এক
ধাক্কা খাচ্ছে, আর মেয়েদের একটা রোগ
আছে,, যার কাছে সে ধাক্কা খায়,, তার
উপরই ক্রাশ খায়। তাই স্বভাব সূত্রেই
প্রেমে পড়ে যায় মেয়েটি,,
কিছুদিন পর,
বাপ্পি ডাক দেয় রুবাকে,
--বেশ কিছুদিন ধরে খেয়াল
করছি আপনি আমাকে সারাক্ষণ ফলো
করেন
অথচ আমার কাছে এসে কখনই কথা বলেন
না
--আপনার কাছে গেলে কথা বলা ভুলে যাই
আমি,, আপনি আমায় একের পর এক অপমান
করেন আর আমি তার কোন জবাব
দিতে পারি না
--হা হা হা
--দেখেন আমার কথায় হাসবেন না
--আচ্ছা হাসলাম না,, হি হি হি
--আবার!
--চলেন
--কোথায়?
--আমার সঙ্গে,,রিক্সায় ঘুরবেন,
--কি বলেন!
--হুম, আমি গেলাম, আপনি আসলে আসেন
--একটা ক্লাস বাকি যে
--ওটা বাকিই থাক
--আচ্ছা চলেন
রিক্সা একটি রেস্টুরেন্ট এর
কাছে এসে থামল,,
--এই খানে থামালেন কেন?
--রেস্টুরেন্ট টা দেখছেন?
--হুম, আমার ও খুব ক্ষুধা পেয়েছে, চলেন,
মন্দ হয় না
--আমরা রেস্টুরেন্ট এর পাশের অই চায়ের
দোকানটায় বসে চা খাব
--কি বলেন! আমি পারব না
--ওকে, তাইলে বাই
--আজিব ছেলেতো আপনি! চলেন
--হুম
.
.
--চা টা অসাধারণ হয়েছে,,বাপ্পি
--আমি জানি, কিন্তু
আমি এখানে চা খেতে আসিনি
--তাহলে?
--দাড়ান,,
কয়েকটা পথের শিশুকে ধরে নিয়ে এল
বাপ্পি
রুবা অবাক চোখে তাকিয়ে আছে।
ছেলেটার সঙ্গে যতই মিশছে ততই অবাক
হচ্ছে
--এদের ডাকলেন কেন?
--দেখতেই পাবেন
এরপর বাপ্পি ওই ছেলেগুলোর কানে কিছু
শিখিয়ে দিল,
ছেলে গুলো হাসতে থাকে,,রুবা অবাক
চোখে বাপ্পির পাগলামি দেখে।
হঠাত একটি ছেলে এসে বলল,
"রুবা আপু"
রুবা বলল, জি, বল,
ছেলেটা আর কিছু না বলে দৌড় দিল।
রুবা আরো অবাক,
হঠাত পরের ছেলে এসে "আমি " বলে দৌড়
দিল
এরপর তৃতীয়
ছেলে এসে "তোমাকে "বলে দৌড় দিল
তারপর চতুর্থতম ছেলে এসে "ভালবাসি "
বলল
.
রুবা বোকা হয়ে বসে রইল, বাপ্পি দুর
থেকে তাকিয়ে হাসতে থাকে,
.বাপ্পি বললো
আচ্ছা, মেয়েরা চমকে গেলে এত কিউট
দেখায় কেন??
.রুবা বাপ্পির কথা শুনে লজ্জা পেয়ে
মাথা নিচু করে ফেলে বাপ্পি রুবার কাছে
যেয়ে রুবারটা হাত ধরে..
আর এইভাবে শুরু হয় ওদের পবিত্র
ভালোবাসা
....
إرسال تعليق