সত্যিই,এই ব্যাচেলা ছেলেগুলো বড্ড অসহায়।প্রতিনিয়ত তারা বুকে চেপে রাখছে হাজারো কষ্ট, বেদনা,আর যন্ত্রনা।তারা বঞ্চিত হচ্ছে, তাদের বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্নীয় স্বজনদের স্নেহ, মায়া,মমতা,ভালবাসা থেকে।একটু ভালোভাবে পড়াশুনা করার জন্য তারা গ্রাম থেকে ছুটে আসে ঢাকা শহরে।:-


ব্যাচেলা বলে, থাকার জন্য ভালো একটা বাসা খুজে পায় না তারা।আজকে তো আবার,ব্যাচেলার মানে হলো জঙ্গি। ব্যাচেলার মানে হলো সন্ত্রাস। ব্যাচেলার মানে হলো এই ছেলে নিশ্চই কোন খারাপ কাজের সাথে ঝরিত আছে।অনেক কষ্ট করে বাসা খুজে পায়।তাও আবার ততটা থাকার যোগ্য নয়।:-


এই ছেলেগুলো না,দু-বেলা ভালো খাবার খেতে পারে না।সকাল বেলা, চা আর বিস্কুট দিয়ে কোনভাবে চালিয়ে দেয়।বাকি দুইবেলা তাদের খাবারের রুটিনে থাকে, কেবল ঠান্ডা ভাত,পানির মত ডাল,আলুর ভর্তা,অথবা কোন এক সবজির ভাজি।আর ডিম, সে তো এক নিত্যদিনের সঙ্গি।:-


এই ছেলেগুলো একটু ভালভাবে চলার জন্য, একটা টিউশনি খুজে।অনেক কষ্ট করে টিউশনি খুজে পায়।অনেক দূরে দূরে হেটে পড়াতে যায়। যখন স্টুডেন্ট এর বাবা মা জানতে পারে,এ ছেলে কোন এক ব্যাচেলা।তখন তো আবার,হাট-বাজার ও করায় তাকে দিয়ে।:-


এই ছেলেগুলোর যখন শরীর খারাপ হয়।নাপা,প্যারাসিটেমল, হিস্টারসিন দিয়ে চালিয়ে দেয়।ভালো কোন ডাক্তার দেখাতে পারে না।মাথায় হাত ভুলিয়ে দেবার মত কেউ থাকেনা।ঠান্ডা, কাশি হলে,একটু গরম পানি করে দেবার মত কেউ থাকেনা।:-


এই ছেলেগুলো যেই এলাকায় থাকে সেই এলাকার বড় ভাইদের প্রচন্ড সম্মান দিয়ে চলাফেরা করতে হয়।কারন তারা তাদের কোন মুল্যই দেয় না।তারা ভাবে, এই ব্যাচেলাদের দুই-একটা থাপ্পড় দিলে কি হবে;এদেরকে থাপ্পড় দিলে কে আসবে?


আসলে জানেন কি,
এ ছেলেগুলো কে দু-বেলা ভালো খাবার দেওয়ার মত মানুষ আছে।শরীর খারাপ হলে, মাথায় হাত ভুলিয়ে দেবার মত মানুষ আছে।কষ্টের সময়, পাশে থাকার মত অনেকে আছে।কিন্তু, আজ তারা থেকেও নেই।কারন, তারা অনেক দূরে।:-

⤵⤵
আসলে এই ছেলেগুলো হচ্ছে প্রকৃত জীবন যুদ্ধা।কারন,তারা হাজারো চেষ্টার ফলে তাদের জীবন যুদ্ধে টিকে থাকে। 

Post a Comment

Previous Post Next Post